বিধানসভায় ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের বাজেট পেশ করলেন রাজ্যের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। লোকসভা ভোটের আগে এটাই ছিল রাজ্য সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তাই সাধারণ মানুষের, বিশেষ করে মহিলাদের প্রত্যাশা ছিল তুঙ্গে। এবারের বাজেটের মূল স্লোগান ছিল—"জনমুখী বাংলা, কর্মমুখী বাংলা"।
বাংলার মা-বোনেদের জন্য সুখবর! অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের অনুদান আবারও বৃদ্ধি করা হচ্ছে। মুদ্রাস্ফীতির কথা মাথায় রেখে এবার:
বিরোধীদের প্রধান অভিযোগ ছিল রাজ্যে চাকরির অভাব। তার জবাবে সরকার নতুন 'কর্মশ্রী ২.০' (Karmashree 2.0) প্রকল্প চালু করেছে।
সরকারি কর্মীদের জন্য বাজেট কিছুটা নিরাশার হতে পারে। বকেয়া ডিএ (DA) নিয়ে বড় কোনো ঘোষণা না থাকলেও, অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন যে মে মাস থেকে অতিরিক্ত ৪% ডিএ দেওয়া হবে। তবে কেন্দ্রীয় হারের সাথে ফারাক এখনো অনেকটাই রয়ে গেল।
গ্রামীণ রাস্তা এবং সেতুর জন্য ৩,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। বিশেষ ঘোষণাগুলোর মধ্যে রয়েছে:
অর্থমন্ত্রী অনেক প্রতিশ্রুতি দিলেও, অর্থনীতিবিদদের একাংশ প্রশ্ন তুলছেন—"এত টাকা আসবে কোথা থেকে?" রাজ্যের ঋণের বোঝা বাড়ছে, তার মধ্যে এতগুলো জনকল্যাণমূলক প্রকল্প চালিয়ে যাওয়া সরকারের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
সব মিলিয়ে, এই বাজেটকে 'নির্বাচনী বাজেট' বলা যেতেই পারে। গ্রামীণ অর্থনীতি এবং মহিলাদের মন জয় করার চেষ্টা স্পষ্ট। তবে মধ্যবিত্ত চাকুরিজীবীরা ডিএ এবং কর ছাড় নিয়ে কিছুটা হতাশ হতে পারেন।
আপনার মতামত কী? লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বৃদ্ধি কি যথেষ্ট? কমেন্টে জানান।